চিত্ত যেথা ভয়শূন্য
চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কবিতা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’-র নিবিড় পাঠ ও ভাবার্থ বিশ্লেষণ।
১৮৬১–১৯৪১
কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রশিল্পী। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান — ইউরোপের বাইরে প্রথম। বাংলা গদ্য ও পদ্যের আধুনিক রূপ অনেকখানি তাঁর হাতে তৈরি।
চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কবিতা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’-র নিবিড় পাঠ ও ভাবার্থ বিশ্লেষণ।
সমাজ কখনও নারী স্বাধীনতাকে ভয় পায়নি। সমাজ ভয় পেয়েছে— স্বাধীনভাবে ভাবতে শেখা নারীদের। কিন্তু একজন নারীর স্বাধীনতা কি শুধু ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসার ম...
আজকাল মানুষকে বুঝতে তার comment section পড়া হয়। ১০০ বছর আগেও সেটা হতো, একটু অন্যভাবে। অভ্যাসটা বদলায়নি। কেন রবীন্দ্রনাথ বিনোদিনীকে জিতিয়েও জেতাননি,...
একজন মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার জন্য তাকে এটুকুই বোঝানো যথেষ্ট যে, অন্যেরাই তার জন্য ভালো সিদ্ধান্ত নেবে। ভালোবাসা আর অধিকার—এই দুটো কি একই জিন...
প্রতিটি যুগেই একজন নারী ছিল, যাকে সমাজ চরিত্রহীন বলেছে। কেন বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে শিক্ষিত, সবচেয়ে বুদ্ধিমতী, একজন আত্মসচেতন নারীকে আজও আমরা খলনায়িক...
যক্ষপুরী কেবল কোনো রাজ্য নয়, এটি একটি ব্যবস্থার প্রতীক—যেখানে মানুষ রক্তমাংসের পরিচয় হারিয়ে কেবল উৎপাদনের পরিসংখ্যানে পরিণত হয়।