মূল লেখা বা বিষয়বস্তুতে যান (Skip to content)
t.w
Documentary

ভুত ভবিষ্যৎ

📅27 August 2026(১২ ভাদ্র ১৪৩৩)•⏱1 min read•👁10 readers
🎬রিল দেখুনReel →
ভুত ভবিষ্যৎ
Instagram Reel

🎬 ভুত ভবিষ্যৎ - এর ইনস্টাগ্রাম রিল দেখুন

Watch the official video reel on Instagram for visuals & narration

ইনস্টাগ্রামে দেখুনWatch Reel →

ভুত-ভবিষ্যৎ | শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যয়

আজ একটা ভুতের গল্প বলব যেখানে ব্যোমকেশের সৃষ্টিকর্তা বোঝাচ্ছেন “ভূতের চেয়ে মানুষকেই ভয় বেশি।”

গভীর রাতে নিজের জীর্ণ ঘরে বসে adult উপন্যাস লিখছিলেন এক সাহিত্যিক। হঠাৎ সামনে এসে দাঁড়াল এক ভূত—নাম নন্দদুলাল নন্দী।

ভয় দেখাতে নয়, সাহায্য চাইতে।

মৃত্যুর আগে সে একশো আকব্বরী মোহর পুঁতে রেখেছিল বাগানের নিমগাছের তলায়। সেই সম্পত্তি হাতবদল হয়ে গেছে, কিন্তু তার প্রপৌত্র গোপীদুলাল এখন নিঃস্ব, অসুস্থ। আর তার একুশ বছরের মেয়ে কমলার বিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য নেই।

ভূতের অনুরোধ—মোহরগুলো তুলে গোপীদুলালের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।

লেখক প্রথমে রাজি হন না। শেষে ভূত পাঁচটা মোহর দালালি দেওয়ার কথা বললে রাজি হয়ে যান।

রাত আড়াইটায় পাঁচিল টপকে মোহর উদ্ধার হল।

কিন্তু গোপীদুলালের বাড়িতে গিয়ে কমলাকে দেখার পর গল্পটা বদলে গেল।

ভয়-চকিত সেই মেয়েটার চোখ দেখে লেখক বুঝলেন—সমস্যাটা শুধু বিয়ের নয়; একটা অসহায় মেয়েকে বাঁচানোর।

তিনি একশো মোহর গোপীদুলালের হাতে দিয়ে বললেন—

“আপনার মেয়েকে আমি বিয়ে করতে চাই।”

বিয়ে হল। আর কলকাতায় ফিরে তিনি নিজের সেই নোংরা উপন্যাস ছিঁড়ে ফেললেন। এবার এমন উপন্যাস লিখবেন—যেটা পড়ে কমলা লজ্জা পাবে না।

শেষবার নন্দদুলালকে জিজ্ঞেস করলেন—“খুশি হয়েছেন?”

ভূত মুচকি হেসে বলল—“দালালি একটু বেশিই নিয়েছ।”

তারপর অদৃশ্য।

ভূতটা শেষ পর্যন্ত কাউকে ভয় দেখায়নি। বরং একজন মানুষকে—মানুষ করে তুলেছিল।

— thoughts.whatever
Continue The Journey

ধারাবাহিক পর্বসমূহ