মূল লেখা বা বিষয়বস্তুতে যান (Skip to content)
t.w

আলালের ঘরের দুলাল | অন্তিম পর্ব

📅23 August 2026(৮ ভাদ্র ১৪৩৩)•⏱1 min read•👁5 readers
🎬রিল দেখুনReel →
আলালের ঘরের দুলাল | অন্তিম পর্ব
Instagram Reel

🎬 আলালের ঘরের দুলাল | অন্তিম পর্ব - এর ইনস্টাগ্রাম রিল দেখুন

Watch the official video reel on Instagram for visuals & narration

ইনস্টাগ্রামে দেখুনWatch Reel →

আলালের ঘরের দুলাল | পর্ব — ৩

১৮৫৭-র কলকাতায় একটা নতুন species দেখা দিয়েছিল—বাবু।

প্যারীচাঁদ মিত্র তাকে নিয়ে হাসলেন। কিন্তু সেই হাসিটা শুধু তাঁর সময়ের জন্য ছিল না।

মতিলালের কলকাতায়— বাহ্যিকতা ছিল একটা currency। কে কী পরছে,কোথায় যাচ্ছে,কার সঙ্গে মিশছে, কীভাবে নিজেকে present করছে—এসবেরও একটা সামাজিক দাম ছিল।

আজ কলকাতার রাস্তা বদলেছে। বৈঠকখানার জায়গায় café,জলসা মানে party। সাহেবি পোশাকের জায়গায় trending global fashion জায়গা নিয়েছে। আর visiting card-বদলে হয়েছে —Instagram profile।

শহরের vocabulary বদলেছে। কিন্তু নিজেকে শোঅফ করার শিল্পটা বেশ পুরোনো।

এই কারণেই আলালের ঘরের দুলাল পড়লে মাঝে মাঝে মনে হয়— প্যারীচাঁদ শুধু একটা উপন্যাস লেখেননি। একটা social behaviour-এর prototype বানিয়ে গিয়েছিলেন। যা আজও সমান প্রাসঙ্গিক

তাঁর satire-এর সৌন্দর্য এখানেই যে তিনি ভবিষ্যৎ জানতেন না। কিন্তু মানুষের কিছু অভ্যাস এত পুরোনো—যে তাদের যতই নতুন পোশাক পরানো হোক না কেন তাদের ঠিক চেনা যায়ই । জনাথন সুইফ্ট বলেছিলেন - “Satire is a sort of glass, wherein beholders do generally discover everybody’s face but their own.”

তাই আলালের ঘরের দুলাল শুধু ১৮৫৭-র কলকাতার document নয়। বরং এটা শহরের বদলে যাওয়া মুখগুলোর মধ্যে— পুরোনো ছায়া খুঁজে পাওয়ার একটা literary exercise।

এখন মতিলাল হয়তো নেই। কিন্তু মতিলাল-সুলভ আচরণ ? সেটা বোধহয় কলকাতা থেকে পুরোপুরি বিদায় নেয়নি।

— thoughts.whatever
Continue The Journey

ধারাবাহিক পর্বসমূহ